আমার ফেসবুকের লেখাগুলো – My facebook Writings

আজকে অভিধর্মার্থ সংগ্রহ পড়ানো শেষ হলো

আজকে অভিধর্মার্থ সংগ্রহ পড়ানো শেষ হলো। সেটা পুরো দুবছর ধরে পড়ানো হয়েছে। অনেক অজানা বিষয় জানা হয়েছে। জানা বিষয়গুলো আরো ভালো করে উপলদ্ধি হয়েছে। অভিধর্ম আমার খুব পছন্দের একটা বিষয়। এই অভিধর্মের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সবকিছুকে ব্যাখ্যা করা যায়। মহাবিশ্বের সবকিছু সংঘটিত হয় অভিধর্মের এই সুত্রগুলো অনুসারে। তাই আমি সেগুলোকে বলি The Cosmic Laws of the Universe, বাংলায় যেটাকে বলা যায় মহাজাগতিক সুত্র।

কিন্তু বললেই তো হবে না। আমার কথা শুনবে কে? বিজ্ঞজনেরা তো আমার কথায় কান দেবেন না। তারা আমাদের বৌদ্ধ নিয়মগুলো বুঝতে চাইবেন না। তাদেরকে বুঝাতে হলে তাদের নিজেদের ভাষায় বুঝাতে হবে। তাদের ভাষা কী? গণিত হচ্ছে বিজ্ঞানের ভাষা, বিজ্ঞানীদের ভাষা। তাই তাদেরকে বুঝানোর জন্য আমাদের অভিধর্মকে গাণিতিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে। এই আইডিয়া থেকে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আমি বহুবার চেষ্টা করেছি অভিধর্মকে গাণিতিকভাবে প্রকাশের জন্য। কিন্তু কোনোটাই আমার মনের মতো হয় নি।

তবে এই কিছুদিন আগে সকালে ঘুম থেকে জাগতেই হঠাৎ একটা আইডিয়া মনে আসল। এত সহজ, অথচ এত বছর ধরে আমার মাথায় তা আসে নি। কৌতুহল নিয়ে আমি বসে পড়লাম কম্পিউটারের সামনে, কিছু হিসাব নিকাশ করে দেখলাম যে, এটা নিয়ে আরো কিছু ঘষামাজা করলে পরে এটাকে সুন্দর একটা গাণিতিক তত্ত্ব হিসেবে দাঁড় করানো যাবে। আমি এর একটা নামও ঠিক করেছি। The Mathematical Abhidhamma. গাণিতিক অভিধর্ম!

এটাকে যদি গাণিতিক সুত্র আকারে দাঁড় করানো যায়, তাহলে কী অসাধারণ একটা ব্যাপার হবে, ভাবুন তো। বিজ্ঞানীরা তখন সেটা নিয়ে গবেষণার নতুন একটা ক্ষেত্র পেয়ে যাবেন, কোনো মেধাবী একজন হয়তো তখন তা থেকে যুগান্তকারী কোনো আবিষ্কার করে ফেলবে, হতে পারে না এরকম? তাই বৌদ্ধধর্মের আছে অপার সম্ভাবনা। আমাদের শুধু দরকার সেটা নিয়ে গবেষণা করা। তাহলে দেখা যাবে কত অজানা রহস্য এমনিতেই উন্মোচিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *