আমার ফেসবুকের লেখাগুলো – My facebook Writings

খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা শিক্ষা

কল্যাণকাজ শীঘ্রই কর, পাপ থেকে মনকে বিরত রাখ।

ঢিমেতালে পুণ্য করলে পাপে রমিত হয় মন। (ধর্মপদ)

কেন শীঘ্র করতে হয় পুণ্যকাজ? তার একটা ধারণা পেলাম সেয়াদের একটা কাহিনীতে। সেয়াদ ২০০৮ সালের একটা ঘটনার কথা বললেন। সেবছর মে ৩ তারিখে আঘাত হেনেছিল নার্গিস। তার আগের দিনে আকাশে মেঘ জমেছিল। যেন মুখ ভার করে ছিল সর্বনাশার আগমনের প্রতীক্ষায়। কিন্তু উপকুলবর্তী লোকজন খুব একটা পাত্তা দেয় নি। সেখানকার এক গ্রাম্য লোক কী যেন একটা দানানুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করেছিল। সেখানকার বিহারের সেয়াদ তাকে বললেন সেদিন করতে। কিন্তু লোকটা নারাজ। সে শুভদিনের প্রতীক্ষায় আছে। অনেক হিসাব নিকাশ করে সে দেখেছে আগামীকাল হচ্ছে শুভদিন। সেদিনই সে এই পুণ্যানুষ্ঠান করবে। শুভদিনে শুভ কাজে বেশি বেশি পুণ্য হবে, তাই না?

কিন্তু সেই রাতে প্রবল বেগে আঘাত হানল নার্গিস। পুরো গ্রাম ঝড়ো হাওয়ার তোড়ে ঘরসুদ্ধ পানিতে ভেসে গেল। গ্রামের বেশিরভাগ লোক পানিতে ডুবে মারা গেল। মারা গেল সেই লোকটিও। বেচারার আর পুণ্যকর্ম করা হলো না।

কিন্তু মারা গিয়ে কোথায় গেল সে? অবশ্যই পরলোকে কোনো একটা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু পরলোকের পাথেয় কী? একটাই পাথেয়। সেটা হচ্ছে পুণ্য। তাই যত বেশি সম্ভব পুণ্য করুন সময় থাকতেই।

তাই শুভদিনের অপেক্ষায় বসে থাকবেন না। পুণ্য যতবেশি পারেন কামিয়ে নিন। বেশি বেশি সাধুবাদ দিন, আর বেশি বেশি এই পোস্ট শেয়ার করুন। জানেন তো, ধর্মদান সকল দানকে জয় করে।

😀

এই ধর্মদানে আমাদের সবার শীঘ্রই দু্ঃখমুক্তি নির্বাণ লাভ হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *