আমার ফেসবুকের লেখাগুলো – My facebook Writings

এই কাহিনীটা পড়ে আমি না হেসে পারি নি 😅

এক সময়ে শাস্তা বেরঞ্জায় বর্ষাবাস শেষে ক্রমান্বয়ে কপিলবাস্তু নগরে গিয়ে নিগ্রোধারামে বসবাস করছিলেন। মহানাম “শাস্তা এসেছেন” শুনে শাস্তার কাছে গিয়ে অভিবাদন করে একপাশে বসে শাস্তাকে এমন বলল – “ভগবান, আমি শুনেছি ‘ভিক্ষুসঙ্ঘ নাকি বেরঞ্জায় ভিক্ষাচরণে কষ্ট পেয়েছেন।’ আমাকে চার মাস ভিক্ষুসঙ্ঘের সেবাযত্নের অনুমতি দিন। আমি ভিক্ষুসঙ্ঘের শরীরে পুষ্টি প্রবেশ করিয়ে দেব।” শাস্তা সম্মত হলেন। সে শাস্তার সম্মতি জেনে পরদিন থেকে শুরু করে বুদ্ধসহ ভিক্ষুসঙ্ঘকে উত্তম রসালো ভোজন চতুর্মধু ইত্যাদি দিয়ে পরিচর্যা করে আবার চার মাসের অনুমতি নিল। এভাবে আট মাস পূর্ণ হলে আবার চারমাসের অনুমতি নিয়ে পুরো এক বছর পরিচর্যা করল। তারপরে অনুমতি চাইলেও শাস্তা আর অনুমতি দেন নি।

😅

বেচারা মহানাম। অনুমতি দিলে হয়তো সারা জীবন ধরে ভিক্ষুসঙ্ঘকে খাওয়াতেন।

😅

তবে মহানাম কিন্তু তখন থেকে নাকি সেখানে পৌঁছানো অন্যান্য ভিক্ষুসঙ্ঘকেও সেই নিয়মে সেবাযত্ন করে গেছেন। তার সেই গুণ নাকি সারা জম্বুদ্বীপে ছড়িয়ে পড়েছিল। শাস্তা পরবর্তীতে জেতবনে বসে মহানাম শাক্যকে উৎকৃষ্ট দায়কদের মধ্যে শীর্ষ স্থান দিয়েছিলেন।

রেফারেন্স: এটা আছে অঙ্গুত্তর নিকায়ের একক নিপাতের এতদগ্গ বর্গের অর্থকথায়। তার পালি লিংক দেখতে পারেন এখানে:

reference.gansanta.org

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *