আমার ফেসবুকের লেখাগুলো – My facebook Writings

গাছের কি প্রাণ আছে?

জগদীশচন্দ্র বসু তো সেই ১৯০১ সালে প্রমাণ করে দিয়েছেন গাছের প্রাণ আছে। তাই শুধু বিজ্ঞানীরা নয়, আধুনিককালের লোকজনও এক কথায় বলে দেয়, গাছের প্রাণ আছে। বুদ্ধের আমলেও লোকজন এমন বিশ্বাস করত। কিন্তু বৌদ্ধধর্ম এব্যাপারে কী বলে? বুদ্ধের আমলে অনেক ভিক্ষু গাছ কেটে কুটির বানাচ্ছিল। এতে লোকজন নিন্দা করতে লাগল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বুদ্ধ তখন ভিক্ষুদেরকে […]

বৌদ্ধধর্মে সৃষ্টিতত্ত্ব -৩য় পর্ব: অদৃশ্য জগতটাকে দেখার উপায়

আমার আগের পোস্ট যারা পড়েছেন তারা এখন জানেন যে, পৃথিবীর ৯৫% – ৯৯% হচ্ছে আমাদের কাছে অদৃশ্য। বৌদ্ধধর্ম ও বিজ্ঞান উভয়ই এক্ষেত্রে একমত। পৃথিবীর সেই অদৃশ্য অংশটাকে আমরা চোখে দেখি না, কানে শুনি না, ধরতে পারি না, ছুঁতে পারি না। অথচ সেই অদৃশ্য পৃথিবী আছে, সেই অদৃশ্য জগত আছে আমাদেরই আশেপাশে। কিন্তু সেটাকে আমরা দেখতে […]

বৌদ্ধধর্মে সৃষ্টিতত্ত্ব -২য় পর্ব: এক অদৃশ্য জগতের কাহিনী

আগের লেখাতে আমি গুগলম্যাপে মাপজোখ করে দেখিয়েছিলাম যে, এক যোজন = ১২ কিলোমিটার। কিন্তু তাতে কী আসে যায়? আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলছি তাতে অনেক কিছু আসে যায়। মাপজোখ হচ্ছে বিজ্ঞানের অস্ত্র। তাই বিজ্ঞানের প্রথমেই আমাদেরকে মাপজোখ করতে শেখানো হয়, তাই না? আচ্ছা, এবার তাহলে কয়েকটা জিনিসের মাপজোখ বের করা যাক। ত্রিপিটকের পারাজিকা অর্থকথার ৰেরঞ্জকণ্ডৰণ্ণনায় পৃথিবী, […]

বৌদ্ধধর্মে সৃষ্টিতত্ত্ব – ১ম পর্ব: শুরু হোক এক যোজন দিয়ে

এক যোজন সমান কত? অনেকে অনেক কথা বলে। কেউ বলে ৬ মাইল, কেউ বলে ৯ মাইল। উইকিপিডিয়া বলছে, এক যোজন = ১২ কিলোমিটার। কিন্তু কীভাবে বুঝব উইকিপিডিয়ার কথা ঠিক? উইকিপিডিয়াকে আমি তেমন বিশ্বাস করি না। সেখানে অনেক উল্টোপাল্টা তথ্যও থাকে। তার চেয়ে বরং গুগল ম্যাপে মেপে দেখি। গুগল ম্যাপ খুব নিখুঁত। এতে এক জায়গা থেকে […]

সৃষ্টিকর্তা যদি নাই থাকে তাহলে আমাদের প্রথম শুরুটা হলো কীভাবে?

আপনারা হয়তো জানেন যে ইহুদি, খ্রিস্টান, মুসলিম, হিন্দু ও অন্যান্য অনেক ধর্মমতে একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন। তিনি এই পৃথিবী, আকাশ, মাটি, পানি, সাগর, জীবজগত সৃষ্টি করেছেন। তিনি আপনাকে আমাকে সৃষ্টি করে এই জগতে পাঠিয়েছেন। কিন্তু বৌদ্ধধর্মমতে সেটা একটা ভ্রান্ত ধারণা মাত্র। বৌদ্ধধর্মমতে কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই। আমি সে ব্যাপারে পরবর্তী পোস্টগুলোতে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখন শুধু অনেকের […]

স্বাধীন চিন্তা ও বৌদ্ধধর্ম

বারুক স্পিনোজা (Baruch Spinoza) ছিলেন সপ্তদশ শতাব্দীর ডাচ দার্শনিক। তার একটা উক্তি আমাকে খুব ভাবিয়ে তুলেছে। ধরা যাক আকাশে একটা ঢিল ছুঁড়ে মারা হয়েছে। এখন ঢিলটির যদি সেই মুহুর্তে চিন্তা করার মতো ক্ষমতা থাকতো তাহলে সে নিশ্চয়ই ভাবত, আরে ! আমি তো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ছুটে চলেছি! অথচ তার গতিপথ যে আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে আছে […]

দুই তার্কিকের তর্ক

শুধু তর্ক দিয়ে যে বাস্তবে কাজ হয় না তা এই কথোপকথন থেকে বুঝা যায়- ১ম তার্কিক একটা খালি কোকাকোলার বোতলকে দেখিয়ে বলল, এটা কী? গ্লাস, নাকি বোতল? ২য় তার্কিক: এটা গ্লাস এবং বোতল, উভয়ই। ১ম তার্কিক: আচ্ছা! তাহলে গ্লাস ও বোতল হচ্ছে একই। তাহলে গ্লাস বললে বোতল বুঝায়, বোতল বললে গ্লাসকে বুঝায়। তাই নয় কি? […]

সমকামিতা, বিজ্ঞান ও বৌদ্ধধর্ম

আজ সকালে একজন একটা ভিডিওর লিংক পাঠালো। ভিডিওটাতে একজন মোল্লা কর্তৃক এক ছেলের যৌন হয়রানির কথা উঠে এসেছে। সোজা বাংলায় যাকে বলে সমকামিতা। আমি ইন্টারনেটে একটু খোঁজ নিলাম এব্যাপারে। উইকিপিডিয়া বলছে, সমলিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি রোমান্টিক আকর্ষণ অথবা সমলিঙ্গের ব্যক্তির সাথে যৌনাচারকে বলা হয় সমকামিতা। বিজ্ঞানীরা নাকি এমন অস্বাভাবিক যৌনআকর্ষণের কারণ সম্পর্কে এখনো ঠিক জানেন না। […]